শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।

অহরহ তিল চাষ হচ্ছে

লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকায় অহরহ তিল চাষ করছে কৃষকেরা। সময়ের আবর্তনে এই তিল চাষ কমে গেলেও আবারও জমিতে তিল চাষ করছেন কৃষকেরা।
‎
‎সরেজমিনে লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন ও ২টি (লালমনিরহাট, পাটগ্রাম) পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় কৃষি জমিগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, জমিতে অহরহ তিলের গাছ শোভা পাচ্ছে। তিল চাষে সার ও কীটনাশক লাগে না বললেই চলে। গরু-ছাগলে তিল খায় না। তাই রক্ষণাবেক্ষণে কোনো খরচ হয় না। শীত-বর্ষাসহ সকল ঋতুতেই তিল চাষ করা যায়।
‎
‎ফুলগাছ গ্রামের কৃষক মোঃ হযরত আলী বলেন, কিছু সংখ্যক কৃষক স্বল্প পরিসরে তিল চাষ করছে। তাদের আবাদী ফসলের সবুজ মাঠগুলোতে সবুজ তিল ক্ষেতের দৃষ্টিনন্দন দৃশ্যের অনাবিল হাঁসি পথিকেরও মন কাড়ছে।
‎
‎উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব বলেন, তিলের পুষ্টিগুনও রয়েছে। এমন আবাদে কৃষক তার নিজ চাহিদা পুরনের পরও বাজারজাত করতে পারেন।
‎
‎তিনি আরও বলেন, কম শ্রম ও কম খরচে সব ধরনের মাটিতে উৎপাদন হওয়ায় তিল চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের।

‎লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ড. মোঃ সাইখুল আরিফিন বলেন, তিল উফশী জাতের বারি তিল-৩ চাষ হচ্ছে। এছাড়াও স্থানীয় জাতের তিল চাষ হচ্ছে।

উল্লেখ্য, এ বছর লালমনিরহাট জেলার ৫টি উপজেলার মধ্যে লালমনিরহাট সদরের ০.৫০হেক্টর, কালীগঞ্জে ০.৫০হেক্টর, হাতীবান্ধায় ৩হেক্টরসহ মোট ৪হেক্টর জমিতে তিলের চাষ হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone